মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

খাল ও নদী

খাল ও নদী

খাল-বিল ও নদী

ফলকন ইউনিয়নে বৃহত্তর মেঘনা নদী
  •  

খাল ও বিল :  মেঘনা নদীর সাথে চর মারটিন ইউনিয়নে শাখা ও প্রশাখা বহু খাল রয়েছে। এর মধ্যে- ১. মেঘনা নদীর তীর লুধূয়া বাজার- মাতাব্বর হাট । ২. লূধূয়া বাজার- ওবাযেদপুর হয়ে রসুলপুর ও হাবিবপুর গ্রামে বিশাল খাল রয়েছে। এছাড়াও চর মারটিন ইউনিয়ন কৃষি উৎপাদনে হিসেবে ব্যপক ফসলী বিল রয়েছে।  

নদ-নদী: চর মারটিন ইউনিয়নে পশ্চিম দিক দিয়ে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় বৃহত্তম মেঘনা নদী । ৫ কিলোমিটার প্রস্থ এই মেঘনা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চর ফলকন ইউনিয়নের শত শত একর জমি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

দী ভাঙ্গন

নদী ভাঙ্গন বাংলাদেশের একটি নিয়মিত দূর্যোগ। নদী ভাঙ্গনে ক্ষয়ক্ষতি ধীরে ধীরে হলেও অন্যান্য আকস্মিক ও প্রলয়ঙ্করী দূর্যোগ অপেক্ষা অধিক ধংসাত্মক ও সুদূর প্রসারী। 

  • নদী ভাঙ্গনের কারণঃ প্রাকৃতিক 
  • নদী ভাঙ্গনের কারণঃ মানবসৃষ্ট 
  • সমাজ জীবনে নদী ভাঙ্গনের ফলাফল
  • সম্ভাব্য নদীভাঙ্গন মোকাবেলায় প্রস্ত্ততিসমূহ
  • নদী ভাঙ্গন সম্পর্কে যা জানা দরকার
  •  

নদী ভাঙ্গনের কারণঃ প্রাকৃতিক 

  • বাংলাদেশ একটি পলি গঠিত বদ্বীপ ভূমি হওয়ায় এখানকার ভূমি নদীর পানির ধাক্কায় বা সামান্য তোড়ে অতি সহজেই ভেঙ্গে যায়।
  • মাটির গঠন দুর্বল বিধায় সামান্য চাপ বা আঘাতে নদীর পাড়ে ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অকস্মাৎ বন্যার প্রভাবে অতি দ্রুত গতির বা আকস্মিক নদী ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • বর্ষাকালে বা বন্যার সময় নদীতে পানির পরিমান বৃদ্ধি পায়, ফলে বর্ধিত পানির চাপে নদীর পাড়ে ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • ঢেউয়ের আঘাতেও অনেক সময় নদীর পাড়ে ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • যেখানে যেখানে নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করেছে, সেখানে সৃষ্ট বাঁকে নদী ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • নদী অনেক শাখায় বিভক্ত হয়ে গেলে, মধ্যস্থিত চরসমূহের পাড়ে ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • নদীর আকারও ভাঙ্গনের একটি কারণ, কেননা বড় নদীতে ভাঙ্গন বেশী হয়।
  • নদীর পাড়ে নিচের দিকে অবস্থিত নরম পলি মাটি পানির ধাক্কায় ধাক্কায় গলে যাবার ফলে নিচের দিকে ফাঁপা সৃষ্টি হয় এবং উপরের শক্ত মাটি প্রথমে ধ্বসে গিয়ে পরে ভেঙ্গে পড়ে।
  • নদী ভরাট হয়ে যাবার কারণে পানি বৃদ্ধির সময় পাড়ের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং পাড় ভাঙ্গতে থাকে।
  • নদীতে জোয়ার-ভাটার কারণে সৃষ্ট পানি চলাচলের প্রভাবে ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • নদীতে নতুন চর সৃষ্টি বা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে স্রোত বৃদ্ধি পেলে পানিতে যে বলয় বা গোলা সৃষ্টি হয় তার প্রভাবেও নদী ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলেও অনেক সময় নদীতে ভাঙ্গন হয়ে থাকে।
  • বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে পানি বৃদ্ধির ফলে নদীতে স্রোতের তীব্রতা বেড়ে পাড়ে ভাঙ্গন দেখা দেয়।
  •  
  •  কমলনগর ‍উপজেলার নদী ভাঙ্গনের কারণ:
  •  
  • হিমালয় পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারত,নেপাল ও ভূটানের অসংখ্য নদী বাংলাদেশের ভিতরে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনার মিলিত স্রোতধারা  দেশের বৃহত্তম মেঘনা নদী হিসেবে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। চাঁদপুরে রিভেটমেন্ট দিয়ে ভাঙ্গনরোধে নদী তীর সংরক্ষণের ফলে মেঘনার মূল প্রবাহ পশ্চিম দিকে ভোলা জেলার উপর আঘাত হানে। ভোলায় রিভেটমেন্ট দেয়ার ফলে মেঘনার মূল স্রোত পুন:রায় গতি পরিবর্তন করে কমলনগর উপকূল তথা চরকালকিনি, সাহেবের হাট, চরফলকন, পাটারী হাট ইউনিয়নের পশ্চিম পাশ দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। চাঁদপুর থেকে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর জেলার শেষ সীমানা পর্যন্ত মেঘনার মাঝখানে শতাধিক ডুবোচর, জেগে উঠা চর ও দ্বীপে নদীর স্রোত বাঁধাগ্রস্থ হয়ে ভোলা জেলার সদর,দৌলতখান,লালমোহন,তজুমদ্দিন,চর ফ্যাশন ও লক্ষ্মীপুরের কমলনগর, রামগতি উপজেলার চরকালকিনি, সাহেবের হাট, চরফলকন, পাটারী হাট, আলেকজান্ডার,চর আবদুল্লা,চর আলগী,চর রমিজ,বড়খেরী ইউনিয়ন প্রবল ভাঙ্গনের কবলে বিপর্যস্থ।

  

   মেঘনার ভাঙ্গন থেকে কমলনগর রক্ষা করার জন্য করনীয়:

  

   নিয়মিত ড্রেজিং করে মেঘনার মাঝ নদীতে ডুবোচর খনন করে ঢাকা-চট্রগ্রামের জাহাজ

   চলাচলের একমাত্র নৌরুট সচল রাখা।

   রিভেটমেন্ট দিয়ে চর ফলকন ও কমলনগর উপকূল এলাকার নদী তীর সংরক্ষণ।

  •  


Share with :

Facebook Twitter